ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিকায়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিকায়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
ad728
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও সুসংহত বাহিনীতে পরিণত করা হবে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধান, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও উৎকর্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে এবং সরকারের লক্ষ্য জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা।

তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, এ ঘটনা জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়, যার ক্ষত আজও বহমান। শহীদদের স্মৃতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষণ করা জাতীয় দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই সরকার দিনটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালন এবং স্মৃতি সংরক্ষণে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পিলখানার ঘটনার পর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর কিছু দুর্বলতা সামনে আসে, তাই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সামঞ্জস্য রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা জরুরি।

শহীদ পরিবারগুলোর দুর্ভোগ ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ অটুট রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মুক্তিসরণি/এমএস