সড়ক সংস্কারের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা, ফলে দুই পাশের যানবাহন একপর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধ চলাকালে শিক্ষার্থীরা তাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য দুই জেলার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে বিকেল ৪টায় কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় দেড় ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
উক্ত আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকনুজ্জামান, কুষ্টিয়ার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল করিম, ঝিনাইদহের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী আহসানুল কবির, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর ড. খাইরুল ইসলাম, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম।
এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট, শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইউসুফ আলী এবং আরও দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, “ইবি থেকে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ পর্যন্ত মহাসড়কের বড় অংশ মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও যাত্রীরা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তায় চলাচল করছেন। বিভিন্ন সময় আমাদের দাবি জানালেও সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা দুই জেলার প্রশাসনকে বাধ্য করে আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায় করতে চাই। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী রবিবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা অবরোধের হুশিয়ারীও দেয়া হয়েছে।”
কুষ্টিয়ার প্রধান প্রকৌশলী জানান, “যেই অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত, সেই মেরামত ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। রাস্তার ক্ষতিগ্রস্ত অংশের পুরোপুরি মেরামত পদ্ধতিগত বিষয়, তাই কিছুটা সময় লাগবে। আমরা সাধ্যমতো দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।”
উল্লেখ্য, এ পথে শিক্ষার্থীরা আগেও সড়ক সংস্কারের দাবিতে অবরোধ করেছেন। গত ১৫ অক্টোবর বিকেলেও আগ্রাসনবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের ব্যানারে মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন তারা, পরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
মুক্তিসরণি/এমএস
ইবি প্রতিনিধি