প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 19, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Nov 30, 2025 ইং
ইবির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের টিভি রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান, গ্রীন ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উদ্যোগ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আ.হ.ম. নুরুল ইসলাম অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী সভাপতিত্ব করেন।
মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে বারবার পথ চলতে গিয়ে হোঁচট খেতে হয়েছে। যখন বিএনপি ঘরানার বা ইসলামী মূল্যবোধের ভিসি দায়িত্ব পালন করেছেন, তখনই বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক গতিপথে অগ্রসর হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা উচিত।"
ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, "ইবির ইতিহাস দীর্ঘ এবং এখানে অনেক যোগ্য ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে অনেকেই কেবল ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার বা সঠিকভাবে স্বপ্ন দেখার কাজ করেননি। কোনো প্রতিষ্ঠান আবেগ বা হুজুগে গড়ে ওঠে না; এটি ধীর ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হয়। মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে পেরেছে, কিন্তু বাংলাদেশের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তা পারেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানরা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে নেতৃত্ব দেবে, কিন্তু ইসলামী মূল্যবোধ ও পরিচয় হারাবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই স্বপ্ন ধারণ করেছিলেন, যদিও সকল সহযোগী হয়তো সমানভাবে সেই চেতনায় কাজ করেননি।"
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ ও দোয়ার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রার্থনা করেন।
মুক্তিসরণি/এমএস
© মুক্তিসরণি