বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে ফিফার নিষেধাজ্ঞার ঝড় বইছে। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পর এবার একই শাস্তির মুখে পড়েছে ঢাকা আবাহনী।
ফিফা ৩ নভেম্বর আবাহনীর খেলোয়াড় নিবন্ধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সাধারণত বিদেশি ফুটবলার বা কোচরা চুক্তিকৃত পাওনা না পেলে ফিফার দ্বারস্থ হন, এবং তাদের দাবির প্রেক্ষিতেই এই শাস্তি আসে। সংশ্লিষ্ট ক্লাব বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত বা আবেদন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকে।
২০২৪–২৫ মৌসুমে আবাহনী নানা সংকটে ছিল। বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে চুক্তি করেও পরে তা বাতিল করে ক্লাবটি। ধারণা করা হচ্ছে, সেসব চুক্তি বাতিলের পর কোনো বিদেশি ফুটবলার বা কোচ ফিফায় অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে এখনো আবাহনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে মোহামেডান, বসুন্ধরা কিংস এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবও একই কারণে ফিফার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় জায়গা করে নেয়। কিংসের ক্ষেত্রে এমনকি পাঁচটি পৃথক অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে।
বর্তমানে ফিফার “রেজিস্ট্রেশন ব্যান লিস্টে” বাংলাদেশের মোট ১১টি ফাইল রয়েছে। এর মধ্যে বসুন্ধরা কিংসের ৫টি, শেখ জামালের ৩টি, আর মোহামেডান, আবাহনী ও ফেনী সকারের একটি করে।
প্রিমিয়ার লিগের দলবদল ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে এসব ক্লাব মাঠে সমস্যা অনুভব করছে না। তবে দুই লেগের মাঝে মধ্যবর্তী দলবদলে খেলোয়াড় পরিবর্তন করতে চাইলে নিষেধাজ্ঞা কাটানো বাধ্যতামূলক হবে।
মুক্তিসরণি/এমএস
মুক্তিসরণি ডেস্ক